শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী রাস্তায় বসে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এর আগে গতকাল ৫টার দিকে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার প্রতিবাদে জিরো পয়েন্ট ফটকে তালা দেন ছাত্রলীগের একাধিক পক্ষের নেতাকর্মীরা।
.png)
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রতিনিয়ত সিএনজি ও রিকশা চালকদের হাতে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাস থাকলে শিক্ষার্থী হয়রানি বন্ধ হবে। বাস চালু হলে কর্তৃপক্ষকে ভর্তুকি দিতে হবে না। আমরা নিজেদের টাকায় বাস ব্যবহার করবো।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহিদুল ইসলাম বলেন, কাটা পাহাড় সড়ক হওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় ক্যাম্পাসে বাস না চলাচলের নির্দেশনা আছে। সেজন্য শিক্ষার্থীদের এই দাবি কতটুকু যৌক্তিক আমরা আলোচনা করছি। সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সবসময় যত্নশীল।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেল ক্রসিং এলাকায় সিএনজি চালকের হামলায় চবির তিন শিক্ষার্থী আহত হোন। পরে গতকাল ১৪ এপ্রিল ফের একই ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ জনের অধিক শিক্ষার্থীর উপর হামলা চালায় স্থানীয়রা।