এ নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রচারেও টনক নড়েনি প্রসাশনের, আশ্বাসেও হয়নি সমস্যার সমাধান।
মহামারির সময়ে অনলাইনভিত্তিক একাডেমিক কার্যক্রম চললেও শিক্ষার্থীরা পায়নি কোনো আর্থিক অনুদান। উল্টো আবাসিক হল খোলার পরও চালু ছিলো অনলাইন পরীক্ষা। যেখানে ছিলো না ইন্টারনেট সুবিধা।
.png)
শিক্ষার্থীদের দাবি বার বার হল প্রভোস্ট বরাবর এ ব্যাপারটি জানানো হলেও গুরুত্বের অভাবে বাস্তবায়ন হয়নি আজো।
আবাসিক হলগুলোতে ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হল প্রশাসনের কি পদক্ষেপ এমন প্রশ্নের জবাবে প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শরিফুন্নেছা মুনমুন বলেন, আমাদের শেষ সভায় আমরা এ নিয়ে আলাপ করেছি। দ্রুত ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে উপাচার্য মহোদয়ের কাছে যাব।
সিকৃবির আইসিটি বিভাগের পরিচালক ড. খালিদ হাসান বলেন, ইউজিসি থেকে ফান্ডিং করার কথা ছিলো কিন্তু আমরা প্রজেক্ট সাবমিট করার আগেই তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই ফান্ডটি আমরা পাইনি।
তিনি আরো জানান, এই পরিস্থিতিতে উপাচার্য মহোদয়ের নির্দেশে ধাপে ধাপে হলগুলোতে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় একটি ছাত্রী হল এবং একটি ছাত্র হল প্রথম ধাপে ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হলগুলোতে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হবে।
এদিকে বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ইন্টারনেট সুবিধা কবে নাগাদ নিশ্চিত হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে পারবো। এ ব্যাপারে আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।