ইউটিউবে কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে পারিবারিক পতিত জমিতে ড্রাগন ফল চাষের উদ্যোগ নেন সিদ্দিক। বাবা মো. আব্দুর রহমান এবং ছোটভাই আল-ইমরান হিমেল ও আল-মাস সাকিবের সহযোগিতায় ১১শতক জমিতে প্রথম ১৮০টি চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তার ড্রাগন বাগানের যাত্রা শুরু হয়।
আবু বকর সিদ্দিক জানান, প্রথম বছরে তিনি মোট ১৩৮ কেজি ফল সংগ্রহ করেছেন। প্রথম বছরের সফলতার পর এই বছরে নতুন করে বাণিজ্যিকভাবে সমন্বিত কৃষি খামারের কাজ শুরু করেছেন। যেখানে এক হাজার ২০০টি ড্রাগন ফলের চারা রোপণ করেছেন ৫৯শতক জমিতে। বাগানে মোট ড্রাগন ফলের চারার সংখ্যা এখন এক হাজার ৪৮০টি। ড্রাগন ফলের পাশাপাশি বারি মাল্টা-১ প্রজাতির ৬০টি গাছ, নতুন দুইটি বড়ই এর প্রজাতি কাশ্মীরির ১৫০টি ও বল সুন্দরী প্রজাতির ১৫০টি গাছ, পেপের দুইটি প্রজাতি রেড লেডি ও সুইট লেডি এবং সঙ্গে ভেষজ গুণসম্পন্ন অ্যালোভেরা গাছ রোপণ করেছেন তিনি।
.png)
বাগান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে কৃষি নিয়ে ভিন্নধর্মী কিছু করার ইচ্ছা ছিল সবসময়। প্রচলিত কৃষি ধারণার বাইরে গিয়ে ভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন করে যাতে কৃষক লাভবান হতে পারে সেই ব্যাপারে আমি কাজ করছি। বাগানে নতুন প্রজাতির আরো ফল ও অন্যান্য গাছ লাগিয়ে বাগানটিকে ভিন্নরূপ দিতে চাই আমি।