ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

শেকৃবির চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

শেকৃবি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ২৩:০১, ২০ অক্টোবর ২০২২
শেকৃবির চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার
ফাইল ফটো

শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও লাঞ্ছনার অভিযোগে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

চার জনের মধ্যে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃতরা হলেন- স্নাতকোত্তর বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাকিলুজ্জামান, সাগর দাস ও রায়হান আলী। এছাড়া তন্ময় সরকারকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষকের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও ফেসবুকে শিক্ষককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া ফেসবুকে স্টোরি দেওয়ায় অপর শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাদক পরিবহন ও মাদকদ্রব্য সেবন করায় একজন শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়।

Advertisement

গত ১৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সভার সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আব্দুল কাইউমের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী সাগর দাস ও মো. রায়হান আলীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী  ভর্তি বাতিল ও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

ঐ সভায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করায় কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মো. শাকিলুজ্জামানকে ভর্তি বাতিলসহ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. নুরুদ্দীন মিয়ার নামে ফেসবুকে সম্মানহানিকর স্টোরি দেওয়ায় কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী তন্ময় সরকারকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। একইসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাদক বহন ও সেবন করায় ইনস্টিটিউট অব সিড টেকনোলজির স্নাতকোত্তরের আরেক শিক্ষার্থী আশিস সূত্রধরকে সতর্ক করা হয়।

এদিকে, বহিষ্কার আদেশের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের পদত্যাগ চেয়ে  অবিলম্বে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেয় তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, মিথ্যা অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে।  কারণ দর্শানোর নোটিশে অভিযোগের জবাব স্পষ্টভাবে দিয়েছি। আমরা বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হারুনর রশীদ বলেন, এখন কোনো মন্তব্য দিতে চাচ্ছি না। এ বিষয়ে পরে কথা বলব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!