ভর্তি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ‘এ’ তে এ ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। ফলে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে এসেছেন। শিক্ষার্থীদের সিরিয়াল অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ‘এ’ তে প্রথমে ডোপ টেস্ট করে ভাইভার জন্য ডাকা হয় ১২১ নং রুমে। সেখান থেকে টাকা জমার রশিদ দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। এ রশিদে প্রয়োজনীয় তথ্যা লিখে শিক্ষার্থীদের সোনালী ব্যাংক শাখায় টাকা জমা দিতে হয় ।
এদিকে ভর্তির নিয়মানুযায়ী, ব্যাংকে টাকা জমার পর টাকার রশিদ নিয়ে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রি করে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ডকুমেন্ট দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে কারিগরি জটিলতা থাকায় প্রায় ২/৩ ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের বসে থাকতে হয়। জটিলতা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার রশিদসহ তাদের নাম, বিভাগ ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে রেখে চূড়ান্ত ডকুমেন্ট না দিয়ে চলে যেতে বলা হয়।
.png)
চূড়ান্ত ভর্তি ডকুমেন্ট কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের কাছে পাসওয়ার্ড না থাকায় চূড়ান্ত ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি দিতে পারিনি। তবে তাদের কাছ থেকে টাকার রশিদসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি লিখে রেখেছি। পাসওয়ার্ড না থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেন।
ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা বলেন, কারিগরি জটিলতায় কারণে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হতে অনেক দেরি হয়েছে। ভর্তিতে এ ধরনের সমস্যা অপ্রত্যাশিত। তবে পরবর্তীতে টাকার রশিদ নিয়ে আমাদের তথ্যগুলো লিখে রেখে ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়।
সার্বিক বিষয়ে জানতে ভর্তি কমিটির টেকনিক্যাল কর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. মাসুম বলেন, টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে তাদের চূড়ান্ত ডকুমেন্ট দিতে পারিনি। তবে তাদের ভর্তি কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হয়নি। শিক্ষার্থীদের সব তথ্য আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। তাদের ডোপ টেস্ট ও টাকা প্রদান সম্পন্ন হলে রশিদ জমা রেখে শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিতে বলেছি সেখানকার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের।
তিনি আরো বলেন, টেকনিক্যাল সমস্যায় যাদের চূড়ান্ত ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি দেওয়া হয়নি তাদের ওরিয়েন্টেশনের দিন এ ডকুমেন্ট দেওয়া হবে।