এ বছর জানুয়ারিতে প্রথম প্রকাশিত হয় Pandemic vs. Technology (মহামারি বনাম প্রযুক্তি) গ্রন্থটি। এটি ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত হয়েছে। গ্রন্থটি মুদ্রণ, প্রকাশ ও প্রচার করছে বিখ্যাত প্রকাশনা ‘নোশন প্রেস’ (ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া)। বইটি আমাজনসহ জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।
বইটিতে জানা যায়, করোনা ভাইরাস শুধু ভয়েরই কারণ নয়। বরং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করে আরো স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করতে পারে। গ্রন্থটিতে লেখক করোনার মতো মরণঘাতী মহামারি মোকাবিলায় প্রযুক্তি যেভাবে মানুষকে সহায়তা করতে পারে, তা চিত্রিত করা হয়েছে।
.png)
গ্রন্থটি নিয়ে ড. মিজান বলেন, ‘২০১৯ সালে চীন থেকে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবকে ২০২০ সালের মার্চে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করে। যা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে এই মহামারিটি ২২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬.৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও ৫২৩ মিলিয়ন মানুষ সংক্রমিত হয়েছে। এই গ্রন্থটিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং মহামারি সংক্রান্ত বিষয়গুলোর অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।’
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ৫জি-ভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসহ অন্যান্য আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় স্বাস্থ্য, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক ফলাফল অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, করছে। এসব সেক্টরে দিন দিন প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েই চলেছে। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ৫জি স্বাস্থ্যসেবায় সৃষ্ট জটিলতার সমাধান তৈরির পাশাপাশি অসংখ্য প্রযুক্তিগত এবং স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা সংক্রান্ত অসুবিধাগুলো এই বইটিতে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
বইটি সম্পর্কে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, বর্তমান সময়ে এই ধরনের গ্রন্থ খুব প্রয়োজন। বিশেষ করে করোনা থেকে বাঁচবার যে পথ অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান দেখালেন সেটি তার ব্যক্তিগত গবেষণার ফল। একই সঙ্গে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ সাফল্য স্মারক হিসেবে চিহ্নিত হবে।