রোববার (১২মার্চ) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘টেকসই সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ নিয়ে ১২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ এবং যুক্তরাজ্যের সমুদ্র বিষয়ক সংস্থা পোগোর যৌথ উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
উপাচার্য বলেন, পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৭০ শতাংশ জুড়ে রয়েছে মহাসাগর এবং মানুষের জীবন মূলত সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। মহাসাগর ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বার্ষিক টার্নওভার ৩ থেকে ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। শুধুমাত্র মৎস্য খাতই বছরে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ২৬০ মিলিয়ন চাকরির সুযোগ করে দেয়। তাই জীবন ও জীবিকার জন্য সমুদ্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
.png)
তিনি আরো বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা কমপক্ষে ৯ বিলিয়ন হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। এই বিশাল জনসংখ্যার বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য এবং চাকরির প্রয়োজন হবে। সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের এই প্রয়োজনীয়তাগুলো পূরণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। এজন্য সামুদ্রিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সুব্রত সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ভৌতবিজ্ঞান বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ বদিউজ্জামান ফারুক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার।
প্রসঙ্গত, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের এ প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্য, ভারত ও বাংলাদেশের ৬ প্রতিনিধি সিম্পোজিয়ামে বিভিন্ন টেকনিক্যাল সেশনে নানা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।