এর আগে ২৫ এপ্রিল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত দীর্ঘদিন পদবঞ্চিত থাকা শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা।
জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১২১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি পায় ইবি ছাত্রলীগ। এ সময় সাইফুল ইসলাম সভাপতি, অমিত কুমার দাস সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এরপর ২০১৭ সালের ১৫ এপ্রিল শাহিনুর রহমান শাহিনকে সভাপতি ও জুয়েল রানা হালিমকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি দেয় কেন্দ্র। তবে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেননি তারা।
.png)
পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রবিউল ইসলাম পলাশকে সভাপতি ও রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের কমিটি গঠন হয়। এর তিন মাসের মাথায় সম্পাদক রাকিবের পদ পেতে অর্থ লেনদেনের অডিও ক্লিপ ফাঁস হলে সভাপতি ও সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা। পরে ক্যাম্পাসে আর কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি তারা। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্তির ১ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আশ্বাস দিলেও তা করতে পারেননি তারা।
সর্বশেষ ২০২২ সালের ৩১ জুলাই ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাতকে সভাপতি ও নাসিম আহমেদ জয়কে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি দিয়েছে কেন্দ্র। এর ৯ মাস পরে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে কর্মীদের জীবনবৃত্তান্ত নেয় দলটি। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা।
জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণের পর কর্মীসভার আয়োজন করে সংগঠনটি। এসময় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাতের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ ও টিএসসিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল ও শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সভায় দলটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় কোনো প্রকার বাজে অভিযোগে অভিযুক্তদের নেতৃত্বে না আনার আহ্বান জানিয়ে শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, আপনারা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কমিটি করার চেষ্টা করেছেন। এজন্য আপনাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে যে নীতিমালা রয়েছে সেটা আপনারা অবশ্যই অনুসরণ করবেন।