মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় পৃথক দুটি কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মোহাম্মদ হোসাইন, স্বপন হোসাইন এবং আব্দুর রাকিব। আটককৃতদের প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় পাঠানো হয়।
.png)
জানা গেছে, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনে ৪২৪ নম্বর কক্ষের মো. জাহিদ আল হাসান সিয়ামের পরিবর্তে মো. হোসাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। আটক হোসাইনের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায়।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ ভবনের ১৩৫ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী তানভীর আহমেদের পরিবর্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. স্বপন হোসাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। আটক স্বপন নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার বাসিন্দা।
এছাড়া দ্বিতীয় শিফটে পরীক্ষায় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনে ৩৩৭ নম্বর কক্ষের মো. আব্দুর রাকিব নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। রাকিব জালিয়াতি করার উদ্দেশ্যে ছবি পরিবর্তন করে, কিন্তু নিজেই পরীক্ষা দিতে এসেছে বলে জানা যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রক্সি দেওয়ার সময় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রক্সি দিতে আসার বিষয়টি তারা প্রত্যেকেই স্বীকার করেছেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।’
রাজশাহী মেট্রোপলিটনের উপ-পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক বলেন, ‘গতবারেও ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে এমন কয়েকজন আটক হয়েছিলেন। তাই এবার নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’
প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, ‘যদি প্রক্সি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মামলা করবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই।’