বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিচারপতি জনাব মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি জনাব মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হয় হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। আদালতে জনাব নাসির উদ্দিনের পক্ষে শুনানি করেন ড. শাহদীন মালিক, তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম. মঞ্জুর আলম এবং তায়্যিব-ইসলাম সৌরভ।
জানা যায়, ২০১৬ সালে সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন অধ্যাপক পদে আবেদন করেছিলেন। অধ্যাপক পদে আবেদনের শর্তানুসারে তার জমা প্রদানকৃত দুইটি আর্টিকেলের বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৬ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদের অপসারণের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
.png)
এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, রায়ের কপি পাওয়ার পর আমি পরবর্তী কাজ সম্পন্ন করে ক্লাসে ফিরতে চায়। বহুদিন থেকে আমি ছেলে- মেয়েদের সাথে দেখা করতে ক্লাসে ফিরতে মুখিয়ে আছি।