সোমবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই নতুন দাম কার্যকরের নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে প্রক্টর দফতর ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিনিধি ও খাবার দোকানিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাংশের উন্মুক্ত আলোচনা হয়। সেসময় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অবস্থিত খাবার দোকানে মূল্য কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ এবং খাবারের মান বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়।
.png)
নতুন মূল্য তালিকায় প্রায় ৩০ পদের খাবারের মূল্য কমিয়ে নতুন করে মূল্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খাবারের মান বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দোকানগুলোতে খাবারের মান তদারকির জন্যে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
মূল্য তালিকায় দেখা যায়, প্রতি প্লেট ভাত ১২ টাকা এবং হাফ প্লেট ৬ টাকা, প্লেট প্রতি খিচুড়ি ২০ টাকা এবং হাফ প্লেট ১০ টাকা, গরুর মাংস এক বাটি ১০০ টাকা এবং হাফ বাটি ৬০ টাকা, সোনালি মুরগী ৭০ টাকা, বয়লার মুরগী দুই টুকরো ৩০ টাকা এবং এক টুকরো ১৫ টাকা, কাতল মাছ এক পিচ ৩০ টাকা, রুই মাছ ১ পিচ ৩০ টাকা, রান্না এবং ভাজা ডিম প্রতি পিচ ১৫ টাকা, এক প্লেট ঘন ডাল ১০ টাকা, যেকোনো ভর্তা ৫ টাকা, যেকোনো সবজি ১০ টাকা।
মোগলাই ফুল ৪০ এবং হাফ ২০ টাকা, আলুর সিঙ্গারা প্রতি পিচ ৬ টাকা, পুড়ি প্রতি পিচ ৬ টাকা, পরোটা পিচ প্রতি ৬ টাকা, চপ পিচ প্রতি ৬ টাকা, সবজি রোল পিচ ২০ টাকা, বড় বার্গার পিচ ৩০ টাকা, চিকেন ফ্রাই পিচ ৩০ টাকা, লাল চা অথবা লেবু চা ৫ টাকা, দুধ চায়ের কাপ ১০ টাকা, দুধ কফি ১৫ টাকা, ব্ল্যাক কফি ১০ টাকা, স্যান্ডুইচ ৩০ টাকা, লেবুর শরবত গ্লাস ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ বলেন, ক্যাম্পাসের দোকানীদের যেন ঘাটতি না হয় এবং শিক্ষার্থীরাও যেন সন্তুষ্ট থাকে উভয় দিক বিবেচনা করেই খাবারের নতুন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষই উপকৃত হবে বলে আশাবাদী। কিছুদিন পর খাবারের মান কমে যাওয়ার অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।