বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাতে ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় এ মামলা করেন।
শুক্রবার (৭জুন) যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- পিইএসএস বিভাগের স্নাতক ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ইসাদ হোসেন (২), একই বিভাগের স্নাতক ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শাহীনুর ইসলাম (৩), স্নাতক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমিনুল ইসলাম (৪), ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বেলাল হোসেন (৫), পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রায়হান রহমান রাব্বি (৬), পিইএসএস বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বিভাগের বিপুল হাসান (৭) ও একই বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আশিকুজ্জামান লিমন।
এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শাহরীন যশোর কোতোয়ালি থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করি আসামিরা দ্রুতই ধরা পড়বে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৩ জুন) কথা কাটাকাটির জেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ায় ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরীন রহমান। এই অভিযোগ দেওয়ায় তাকে আবাসিক হলের শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল রানার কক্ষে (৩০৬ নং) রাতভর নির্যাতন করা হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী।
তিনি অভিযোগ করেন- শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে হল ছাড়ার হুমকি দেন আর অভিযোগ না তুলে নিলে গুলি করে মেরে ফেলবেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।