কর্মসূচির শুরু থেকেই কাপড়, শুকনা খাবার, পানি ও ঔষধসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশেপাশের সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় দ্বিতীয় দফায় ত্রাণ পাঠানোর জন্য প্যাকেজিংয়ের কাজ চলছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে কার্যক্রমে।
জানা যায়, বন্যার্তদের সহায়তায় গত ২৪ আগস্ট (শনিবার) বুটেক্সের একটি দল ত্রাণ নিয়ে ফেনী যায়। ফেরার পথে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয় ত্রাণবাহী ট্রাক। এতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে লাইফ সাপোর্টে আছেন বুটেক্স শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল লাবিব। যার কারণে পরবর্তী কয়দিনের ত্রাণকার্যক্রমে কিছুটা ভাটা পড়ে।
.png)
ফের ২৪ আগস্ট (শনিবার) থেকেই ক্যাম্পাসে ত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচি শুরু হয়। সংগৃহীত ত্রাণসামগ্রী এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ (বৃহস্পতিবার) বুটেক্সের একটি দল লক্ষ্মীপুর এবং ৩০ তারিখ (শুক্রবার) অন্য একটি দল নোয়াখালী যাচ্ছে। এ পর্যায়ে ২৫০ পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত বুটেক্স শিক্ষার্থীরা সংগ্রহ করেছে প্রায় ৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। যার মধ্যে প্রথম ধাপের ত্রাণ কার্যক্রমে ১০০ পরিবারের জন্য খরচ হয় প্রায় দুই লাখ সাত হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় দফায় লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীতে ত্রাণসামগ্রী কিনতে ব্যয় হয়েছে প্রায় চার লাখ ২০ হাজার টাকা, যাতে ২৫০ পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রী থাকবে।