গত দুইদিন টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোর ও শহিদ মিনার এলাকায় গণত্রাণ কর্মসূচি চালিয়েছে মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যক্রম এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিনভর ও রাতের একটি অংশ ত্রাণ সংগ্রহ চললেও এসব ত্রাণ প্যাকেজিং করতে রাতভর শ্রম দিতে হয়েছে তাদের।
বুধবার রাতে সরেজমিন দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় অ্যাকাডেমিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সংগ্রহ করা ত্রাণ প্যাকেজিং করা হচ্ছে। ১০৭০ বন্যার্তদের জন্য ত্রাণের প্রতি প্যাকেজে শিক্ষার্থীরা পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, তৈল এক লিটার, আলু এক কেজি, শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ, লবণ, চিড়া, মুড়ি, বিস্কিট, চিনি, খেজুর, চা, নুডলস, সরিষার তৈল, ডিটারজেন্ট, সাবান, স্যানিটারি ন্যাপকিন, বাচ্চাদের সুজি, বাচ্চাদের জন্য গুড়া দুধ, লাইটার, মোমবাতি, কয়েল, প্রাথমিক মেডিসিন হিসেবে স্যালাইন, নাপা, পিউরিফিকেশন ট্যাবলেট, হিস্টাসিন, অ্যালজিন, মেট্রো ও বিশুদ্ধ পানি ছয় লিটারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য কাপড়।
.png)
সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থী আলামিন ফকির বলেন, এই দেশের জন্য শিক্ষার্থীরা সবকিছু করতে প্রস্তুত। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল এমন সময়। আমরা বন্যা দুর্গতদের উপহারসামগ্রী দিয়ে পাশে থাকব।
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকা এই মুহূর্তে খুবই জরুরি। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে এই মানবিক কাজগুলো করেছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি টাঙ্গাইলবাসী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রতি।