সংগঠনটির সভাপতি দিদারুল ইসলাম রাসেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম। এসময় অতিথি হিসেবে সংগঠনের আইপিপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের মনজুরুল ইসলাম নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, আইসিটি সম্পাদক ত্বকি ওয়াসিফ, সার্জেন্ট অব আর্মস সজীব হোসেনসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
জানা যায়, জুলাই বিপ্লব ও সাম্প্রতিক বিষয়সমূহের ওপর এই কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী সবাইকে পুরস্কৃত করে সংগঠনটি। এতে আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক হোসেন প্রথম হন, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী মনসুর দ্বিতীয় ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসাইন তৃতীয় হয়েছেন।
.png)
সংগঠনটির সভাপতি দিদারুল ইসলাম রাসেল বলেন, 'বৈষম্যহীন দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিজের জীবনকে দেশের জন্য বিলিয়ে দিয়েছে তাদের আত্মার স্মরণে উন্মুক্ত কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই আগস্ট বিপ্লবের স্পিরিট নিয়ে সামনে সব ফ্যাসিবাদের দোসরদের সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দিতে চাই। কুইজের মাধ্যমে শহিদদের জানার পাশাপাশি তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা পেতে চাই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, ‘যাদের ত্যাগ, কোরবানি, জীবনের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশে ইবির সবুজ চত্বরে এমন আয়োজন করতে পেরেছি তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন তারা দেখেছে, তাদের সেই উত্তরাধিকারী আমরা। তাদের রেখে যাওয়া কাজ ও দেখানো পথ অনুযায়ী আমরা যেন চলতে পারি, সে ব্যাপারে আমরা অবশ্যই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকব। জুলাই বিপ্লবের চেতনা যাতে অব্যাহত থাকে, জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট নিয়ে যেন বাকি জীবন পরিচালনা করতে পারি। আবার কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি আমাদের ওপর চেপে না বসে সেই দিকে সজাগ থাকতে হবে। সর্বোপরি নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে যার যার জায়গা থেকে আমরা যথাযথ অবদান রাখার চেষ্টা করব।'
প্রসঙ্গত, ‘সেবার মাধ্যমে বন্ধুত্ব’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রোটার্যাক্ট ক্লাব ১৯৯২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। রোটার্যাক্ট ক্লাব স্বেচ্ছাসেবীমূলক আন্তর্জাতিক সংগঠন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের যুব শাখা। বন্ধুত্ব, সেবা এবং সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে বিশ্বের সব মানুষের মাঝে উন্নততর সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্য।
সংগঠনটি ক্যাম্পাসে ভর্তি পরিক্ষায়, বৃক্ষরোপণ, মৎস্য অবমুক্তকরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও রক্তদান সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।