মৃত জাহিদুল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার হাউজিং এলাকার নুরউদ্দীনের পুত্র। তিনি কোর্ট স্টেশন জামে মসজিদের সামনের জাহিদ টেইলার্স এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে বৃদ্ধ জাহিদুল দোকান খোলার জন্য সাইকেলযোগে কাস্টম মোড়ের দিকে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। জেলখানা মোড় পার হওয়ার সময় সামনে থেকে আসা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহনকারী একটি ডাবলডেকার বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় চাকার নিচে পৃষ্ট হয় জাহিদুল। এরপরও বাসচালক বাস না থামিয়ে পালিয়ে যেতে চাইলে বিক্ষুব্ধ জনতা ধাওয়া করে বাসটিকে সেন্ট্রাল কলেজের সামনে থেকে আটক করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসের গ্লাস ভাঙচুর ও চালককে গণপিটুনি দেন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত বাস চালক সেলিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
.png)
স্থানীয় রমজান আলী জানান, বাস চালকের অসাবধানতার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঐ বৃদ্ধের শরীরের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে নিয়ে যায় চালক। জনতা ধাওয়া দিয়ে বাসটি আটক করে। তখনও সাইকেলটি বাসের নিচে ছিল।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, ঘটনাস্থলেই ঐ ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
কুষ্টিয়া সদর থানার ওসি শিহাবুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনার কথা জানার পর সেখানে পুলিশ সদস্যরা পৌঁছায়। এ সময় বাস চালক ও দোতালা বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাস চালাককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বাসটি আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তার দাফন সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, অসতর্কতাবশত দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির ড্রাইভার মারাত্মক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। বাসের বিষয়ে বিআরটিসি কাজ করবে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।