রোববার বিকেল পৌনে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে তারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- আইন অনুষদের ৪৯তম ব্যাচ থেকে ৫১তম ব্যাচের ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন, ভর্তি পরীক্ষায় আইন অনুষদের জন্য আগের মতো আলাদা ইউনিট করা ও স্থায়ী ভবন বরাদ্দ করা।
.png)
কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, তাদের বিভাগের দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাচের ইতিপূর্বে প্রকাশিত ফলাফল পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে ফলাফল পুনর্মূল্যায়নসহ কয়েকটি দাবিতে গত আগস্ট মাসে আন্দোলনে নামেন তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ অক্টোবর তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। সম্প্রতি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। আজ বিকেলে ঐ তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আলোচনা হওয়ার কথা। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
আইন অনুষদ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) আসিফুল হাসান বলেন, প্রায় ছয় মাস ধরে তারা আইন অনুষদের স্থায়ী ভবন ও প্রকাশিত প্রশ্নবিদ্ধ ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও তদন্ত কমিটি গঠন ছাড়া কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেয়নি। অনুষদের স্বৈরাচারী শিক্ষক তাপস কুমার দাস ও সুপ্রভাত পালের অন্যায়ের বিচার ও ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের জন্য গঠিত হওয়া কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আশা করছেন আজকে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল থেকে একটা শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত আসবে।
আসিফুল হাসান বলেন, অনুষদের স্থায়ী ভবনের বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত আসেনি। দুটি ক্লাস রুমে আমাদের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা একেবারেই অসম্ভব। আমরা আইন অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের এসব ন্যায্য দাবির বিষয়ে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েই ফিরবো।