ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পরের দিন থেকেই স্বামী সঞ্জয় কাপুর ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন কারিশমার ওপর মানসিক অত্যাচার শুরু করেন। শুধু তাই নয়, কারিশমার মতে মধুচন্দ্রিমার রাতে সঞ্জয় তার বন্ধুর শয্যা সঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব দেন।
পরে কারিশমা জানতে পারেন, তার স্বামী শুধু ওই ভয়ঙ্কর প্রস্তাব দিয়েই থেমে যাননি, ওই বন্ধুর কাছে তার মূল্য নির্ধারণ পর্যন্ত করেছেন। কারিশমা এই প্রস্তাবে রাজি না থাকায় সঞ্জয় তার ওপর শারীরিক অত্যাচার শুরু করেন।
.png)
এছাড়াও কারিশমার সঙ্গে বিয়ের পরেও সঞ্জয় তার আগের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। সেই সম্পর্কের বিরুদ্ধে বলতে গেলেও কারিশমাকে নানা ভাবে অত্যাচার করতেন সঞ্জয়।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে কারিশমা কাপুরের বিয়ে হয়। ২০০৫ সালে প্রথম মেয়ে সামিরার জন্মের পর তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন। কেননা বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। ২০১০ সালে আবার তারা মিলিত হন। ওই বছর জন্ম হয় তাদের দ্বিতীয় সন্তান। রাজ কাপুরের নামের সঙ্গে মিলিয়ে ছেলের নাম রাখা হয় কিয়ান রাজ কাপুর। পরে প্রিয়া সচদেবকে বিয়ে করেন সঞ্জয় কাপুর। সূত্র: আনন্দবাজার