রাজকে দেখেই কেন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন পরী? পর্দার ‘প্রীতিলতা’ টুঁ শব্দ করেননি। অবশেষে মুখ খুললেন ভালোবাসা দিবসে। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অকপটে বলে পরীমনি। কথায় কথায় পরী বলেন, ‘বন্ধ লিফটে ফুল হাতে হাঁটু মুড়ে বসে আমিই রাজকে প্রথম প্রেমের কথা বলেছি!’
রাজের পরী, নাকি পরীর রাজ তা হলে? কেন বিয়েতে এত তাড়াহুড়ো? কী দেখে রাজকেই চাইলেন নায়িকা? অকপট পরীমনি জানিয়েছেন, তাদের প্রথম দেখা ‘গুনিন’ ছবির চিত্রনাট্য পড়ার সময়ে। সাদা পাঞ্জাবি-পাজামায় সেদিন নায়ক সত্যিই যেন রাজপুত্র। পরী প্রথম দিনেই চোখ ফেরাতে পারেননি। তাদের প্রেমের অনুঘটক ছবির পরিচালক গিয়াসুদ্দিন সেলিম। রাজের সঙ্গে এর পর যত কথা বলেছেন, ততই মুগ্ধ তার পর্দার নায়িকা। রাজের ছেলেমানুষী, খুনসুটিতে পাগল তিনি। তখনই ঠিক করে নিয়েছিলেন, বিয়ে করলে এঁকেই করবেন। এভাবেই শুরু থেকে ‘গুনিন’ রাজের বশ বিতর্কিত নায়িকা!
.png)
সেই সময় রাজের ডান হাত ভেঙে গিয়েছিল। বাম হাতে কোনো রকমে খেতেন। একদিন দেখার পরেই পরীমনি এরপর নিজের হাতে তাকে খাইয়ে দিতে শুরু করেন। প্রতিদিন তিন বেলা এভাবেই নিজে রেঁধে, বেড়ে খাওয়াতেন নায়ককে।
রাজের কথায়, ‘প্রথম দিন থেকেই ও আমার বউ। প্রচণ্ড যত্ন করত আমার।’ তারপরেও পরীর আফশোস, রাজ তাকে কোনো দিন ফিরিয়ে ভালবাসার কথা বলেননি! সেই আক্ষেপও মিটল প্রেম দিবসে।
রাজ সেদিনের সন্ধ্যায় সাদা পাঞ্জাবি-পাজামায়। পরীমনি পরেছিলেন লাল বেনারসি। তারা পৌঁছে যান স্থানীয় এক নদীর পাড়ে। সেখানেই প্রকৃতিকে সাক্ষী রেখে প্রকাশ্যে ভালবাসার কথা প্রথম জানান অভিনেতা। পুরো ঘটনা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছেন নায়িকা। আকাশ-বাতাসে প্রতিধ্বনিত তার একটিই কথা, ‘পরী আমি তোমাকে চাই... ভালবাসি।’