এদিকে মাস চারেক আগে নৃত্যশিল্পী তসলিমার সঙ্গে মিঠুন বিশ্বাস নামে এক যুবকের আলাপ হয়। কয়েকদিনের মধ্যেই সম্পর্ক গভীর হয়। এরপর দিনদুয়েক আগে বসিরহাটের চাঁপাপুকুরের পঞ্চাননতলায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভ ইনে থাকতে শুরু করেন দু’জনে।
বাড়িওয়ালাকে জানান, তারা দু’জনেই বিয়ে করেছেন। তবে পারিবারিক কিছু আপত্তি থাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর শনিবার সন্ধ্যায় ওই নৃত্যশিল্পীর লিভ ইন পার্টনার মিঠুন বাড়ি মালিকের কাছে গিয়ে জানান, শৌচালয়ে পড়ে গিয়েছেন তসলিমা। তড়িঘড়ি যান বাড়িওয়ালা। কিন্তু গিয়ে নৃত্যশিল্পীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
.png)
এদিকে এরপরই বেপাত্তা হয়ে যান মিঠুন। যার জেরে সন্দেহ হয় তার ওপর। তদন্তে নামে পুলিশ তারপরই মোবাইল লোকেশন দেখে হিঙ্গলগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় মিঠুন বিশ্বাসকে। সকলেরই সন্দেহ এই মিঠুনই তাকে খুন করেছে। এদিকে নিহত তসলিমার স্বামী মাতিনও লোক দিয়ে খুন করাতে পারে বলে দাবি নিহতের পরিবারের। তসলিমার বোন সেরিনা বিবি জানিয়েছেন, আমাদের বিশ্বাস জেল থেকে মাতিন লোক লাগিয়ে বোনকে খুন করিয়েছে।
এদিকে তৃতীয় মিঠুনের দাবি, জলসায় নাচ দেখে ভাল লেগে যায় তাসলিমাকে। তারপর এই চার মাস ধরে চলছে প্রেমের সম্পর্ক। আমি তসলিমাকে খুন করিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, তসলিমার হাতে সিগারেটের ছ্যাঁকা ও পিঠের কাছে দাগ রয়েছে। তবে মৃত্যুর আসল কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পরিষ্কার হবে।