মিথিলা জানালেন, আমি ১৯ এপ্রিল ঢাকায় ফিরেছি। এবার ঈদ এখানেই করছি। সাধারণত সারা বছর ব্যস্ত থাকি। আত্মীয় স্বজনদের বাসায় যাওয়ার সুযোগ মিলে না। এজন্য ঢাকায় ফিরেই সবার বাসায় যাচ্ছি। আর ঈদের শপিং করছি।
মিথিলা জানালেন তিনি সবার জন্য শপিং করেন। তার ভাষ্য, আমি সবার বড়। ভাই–বোনদের জন্য শপিং করছি। কাজিনরাও আমার ছোট। তাদের জন্য শপিং করি। আবার তাদের বাচ্চাদের জন্যও শপিং করতে হয়। আয়রাকে নিয়ে শপিং করছি। ও অনেক গিফট পেয়েছে।
.png)
ঈদের দিন কিভাবে কাটাবেন জানতে চাইলে মিথিলা বললেন, প্রতিবছর দাদীকে দেখতে গিয়ে ঈদ শুরু করতাম। তিনি গত নভেম্বরে মারা গেছেন। এবার ঈদের সেমাই খেয়ে বড় ফুফুকে দেখতে যাব। এরপর অন্য ফুফু, মামাদের বাসায় যাব। বাসায় ভাই–বোনরা আসে। তাদের বাসায় আমি যাই। এভাবেই ঈদের দিন কেটে যায়। তবে, এবার ওয়েব সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ রিলিজ পাচ্ছে। সিরিজটির প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবো।
চাঁদ রাতে চরকিতে মুক্তি পাচ্ছে শিহাব শাহীন পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’। এ সিরিজে শায়লা চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিথিলা। মিথিলার মতে, এ চরিত্রটি রহস্যময়ী একটি চরিত্র।
মিথিলা জানালেন, তিনি ঈদের দিন মাংসের তরকারি ও সেমাই পছন্দ করেন। ঈদের রান্না সামলাবেন তার বাবা–মা। মিথিলা তাদের সহযোগিতা করবেন।
ঈদের পোশাক প্রসঙ্গে মিথিলা জানান, আমার সুতির কাপড় বেশি পছন্দ। হালকা রঙের পোশাক পরবো। আয়রাও সাদা রঙের জামা পরবে।
ছোটবেলার ঈদ আনন্দের ছিলো বলে কথা প্রসঙ্গে জানালেন মিথিলা, এখন মনে হয় ছোটবেলার ঈদ খুবই আনন্দে কাটতো। আমরা চার ভাই–বোন। কাজিনরা মিলে প্রায় ৪০ জন। ছোটবেলায় দল বেঁধে আত্মীয় স্বজনদের বাসায় ঘুরতে যেতাম। পাড়ায় নতুন জামা–কাপড় পরে ঘুরে বেড়াতাম। প্রচুর সালামী পেতাম। যা দিয়ে ঈদের ৩ দিন কেটে যেত।
মিথিলা জানালেন তিনি নিজে সালামী দেয়া শুরু করেন বিয়ের পর থেকে। তার ভাষ্য, আমার ২০০৬ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। তখন হুট করে মামী, চাচী হয়ে গেলাম। সে সময় থেকে নিয়মিত সালামি দিতে হয়। এর আগেও অবশ্য টুকটাক সালামি দিয়েছি।
সবশেষে মিথিলা জানালেন ঈদের ছুটি শেষেই তাকে ফের যেতে হবে দেশের বাইরে। এ ক’টা দিন পরিবার নিয়েই কাটাতে চান তিনি।