অধরা কখনো কোরবানির হাটে যান না। এমনকি গরু বা ছাগল কোরবানি দেয়ার সময় উপস্থিতও থাকেন না। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, হাটে পশুগুলোকে অনেক কষ্ট দেয়া হয়। তাদের দমবন্ধকর অবস্থায় রাখা হয়। তাদের চোখ বেয়ে পানি পড়ে। আমার কষ্ট লাগে। কোরবানি দেয়ার সময়ও তাদের কাঁদতে দেখি। তাই এ সময়টা এড়িয়ে চলি। ছোটবেলায় গরু কোরবানি দিতে মজা লাগতো। বড় হবার পর, যখন বুঝতে শিখেছি; প্রাণীদের প্রতি অনুভূতি জন্মালো, তখন আর এসব দেখা হয় না। আমি রক্তারক্তিতে নেই।
কোরবানি দিচ্ছেন বটে, কিন্তু রান্নায় অধরা আনাড়ি। জানালেন তিনি রাঁধতে পারেন না। তবে, গরুর মাংশের এক প্রকার সালাদ তিনি প্রস্তুত করতে পারেন। তিনি বললেন, আমি অন্য রান্না না পারলেও সালাদ বানাতে পারি। ঈদের সময় বাসার বুয়ারা ছুটিতে থাকে, সে সময় আম্মুকে কাটাকুটিতে সহায়তা করা হয়।
.png)
অধরা জানালেন ঈদের দিন তিনি আরামদায়ক পোশাক পরতে পছন্দ করেন। তিনি বললেন, আমার কাছে সেই পোশাক ভালো লাগে যা পরে আরাম পাই। এবার ঈদের দিন সালোয়ার কামিজ পরবো। গরম পড়ছে। তাই হালকা রঙের সালোয়ার কামিজ পরা হবে।
ঈদের দিন পরিবারকে সময় দিবেন অধরা খান। সময় করে ঈদের ছবি দেখবেন তিনি। সে তালিকায় আছে প্রিয়তমা, ক্যাসিনো ও সুড়ঙ্গ। বাকি ছবিগুলোও দেখার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ঢাকাই ছবির নতুন প্রজন্মের নায়িকা অধরা খান অভিনীত চারটি ছবি এখন পর্যন্ত মুক্তি পেয়েছে। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে সৈকত নাসির পরিচালিত ‘সুলতানপুর’ ছবিতে।