স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সুবর্না বলেন, ২৬ মার্চের অনুষ্ঠান করছি। এ ছাড়া নিজের মতো করে সময় কাটছে। প্রতি রমজানে ‘ত্রিতরঙ্গ’র ব্যানারে ইফতার ও ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এবারও তা নিয়ে ব্যস্ততা আছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বসন্ত উৎসব ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্মাননা আয়োজন করেছি। আর গান তো নিয়মিত করছিই।
রমজান কেমন কাটছে জানতে চাইলে সুবর্না বলেন, নিজের মতো করে কাটাচ্ছি। আমাদের পরিবারে কেউই ভোজনরসিক নই। তাই সাদামাটা ইফতার আয়োজন করা হয়। আমার দই – চিড়া ভালো লাগে। মেয়ে পছন্দ করে ন্যুডলস। সেহরিতেও সাধারন আয়োজন থাকে।
.png)
সুবর্না যোগ করলেন, আব্বা আম্মা যখন বেঁচে ছিলেন তখন ইফতারে বাহারি আয়োজন থাকতো। সে দিনগুলো মিস করি খুব। এখন সেই সময়ের আমেজ আর নেই।
ঈদ নিয়েও সুবর্নার আলাদা পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, ঈদে চট্টগ্রাম থাকবো। নিজের জন্য আলাদা করে কেনাকাটা করিনি। প্রিয়জনদের উপহার দিতে পছন্দ করি। ঈদে সাধারনত বের হই না। কয়েকবার সিলেটে ঈদ করেছিলাম। সেই ঈদগুলো অন্যরকম কেটেছিলো। ঈদে সাধারনত সেমাই, পায়েস, চটপটি রান্না করি। আর মেয়ে চিকেন বিরিয়ানি পছন্দ করে। সেটি করা হয়। প্রতিবেশীদের বাসায় যাওয়া হয়। এভাবেই কেটে যায় ঈদ।