সিনেমায় চমক: ৭৫ বছর বয়সে শ্রীলীলার সঙ্গে রজনীকান্ত
বেশ আলোচনা চলছে ৭৫ বছর বয়সী রজনীকান্তের আগামী সিনেমা ‘ধর্মন’-এ ২৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী শ্রীলীলার যুক্ত হওয়া নিয়ে । দক্ষিণী এই অভিনেত্রী প্রথমবারের মতো পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন রজনীকান্তের সঙ্গে।
গত ৪ নভেম্বর অভিনেত্রীর অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাজ কমল ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল। এ উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে শ্রীলীলার একটি পরিচিতিমূলক ভিডিও। সেখানে তাকে স্বাগত জানিয়ে লেখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে স্ফুলিঙ্গ, তিনি এক বিস্ফোরক উপস্থিতি।
অশ্বথ মারিমুথু পরিচালিত সিনেমাটিতে রজনীকান্তের সঙ্গে অভিনয় করবেন নয়নতারা, সিমরান, রাশি খান্না ও যোগী বাবু। কমল হাসানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাজ কমল ফিল্মস ইন্টারন্যাশনালের পাশাপাশি টারমেরিক মিডিয়ার আর মহেন্দ্রনও সিনেমাটির প্রযোজনায় রয়েছেন। সংগীত পরিচালনা করছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
‘ধর্মন’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন শ্রীলীলা। নির্মাতাদের প্রকাশ করা ভিডিওতে অভিনেত্রীকে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত রূপে দেখা গেছে। তবে সিনেমায় তার চরিত্রের নাম কিংবা বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
সিনেমাটির পরিচালক অশ্বথ মারিমুথু এর আগে ‘ওহ মাই কাদাভুলে’ (২০২০) ও ‘ড্রাগন’ (২০২৫) নির্মাণ করে পরিচিতি পেয়েছেন। ‘ধর্মন’ তার সঙ্গে রজনীকান্তের প্রথম কাজ।
এর আগে প্রকাশিত সিনেমাটির প্রথম লুকের পোস্টারে চিকিৎসকের পোশাকে দেখা যায় রজনীকান্তকে। তার হাতে ছিল রক্তমাখা একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র। পোস্টারের দৃশ্য দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সিনেমায় চিকিৎসকের চরিত্রে দেখা যেতে পারে তাকে। তবে চরিত্রটির নৈতিক অবস্থান ও বিস্তারিত পরিচয় সম্পর্কে নির্মাতারা এখনো কিছু জানাননি।
সিনেমাটির তৃতীয় ধাপের শুটিং এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। যদিও মুক্তির আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, বিভিন্ন প্রতিবেদনে ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
তেলুগু ও কন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া শ্রীলীলার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে। পরে বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠেন তিনি। ২০১৯ সালে কন্নড় সিনেমা ‘কিস’-এর মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় তার। এরপর ২০২১ সালে ‘পেল্লি সন্দাড’ সিনেমায় অভিনয় করে তেলুগু চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ধামাকা’, ‘ভগবান্থ কেশরী’ ও ‘গুন্টুর কারাম’।