রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় ও ১০টায় ফ্লাই দুবাই এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইটে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
জানা যায়, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে ফ্লাই দুবাই এয়ারলাইন্সে করে এ যাত্রীরা দুবাই এয়ারপোর্টে পৌঁছালে আইসিএ অ্যাপ্রুভাল জটিলতায় দেশটির অভ্যন্তরে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি তাদের।
.png)
করোনাকালীন সময়ে বিমান যাত্রীদের জন্য আমিরাত সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মের শতভাগ পূরণ না হওয়ায় তাদের বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হয়।
শনিবার সারাদিন বিমানবন্দরে অবস্থানের পর রোববার সকালে তারা দেশে ফিরে আসেন।
মোহাম্মদ আলমগীর নামের এক যাত্রী জানান, ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে ফ্লাই দুবাইয়ের টিকিট করেন তিনি। দেশত্যাগের আগেও তাদের ‘ভিসা স্ট্যাটাস’ এ সবুজ সংকেত ছিল না। অনলাইনে ভিসা স্ট্যাটাস লাল থাকার কারণেই তাদের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আটকে দেয়।
আলমগীর বলেন, দেশে আমরা যেখান থেকে টিকিট নিয়েছি, সেখানে আমাদের আইসিএ অ্যাপ্রুভালে একটি প্রিন্ট পেপার কপি দিয়েছে। আর কোনো সমস্যা হবে না মর্মে আশ্বাস দিলে সেটি দিয়েই ফ্লাই দুবাইয়ের টিকিট কিনি। কিন্তু দুবাইয়ে এসে আটকে পড়েছি।
সিভিল এভিয়েশন এবং এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ আমিরাত সরকারের নতুন নিয়ম সম্পর্কে না জানার কারণে যাত্রীদের এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফেরত যাওয়া যাত্রীদের ফের আমিরাতে ফেরাতে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন প্রবাসীরা।