ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

রাতে জেগে থাকা আর দিনে ঝিমোনো নেপথ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া 

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:২৯, ১ আগস্ট ২০২৪
রাতে জেগে থাকা আর দিনে ঝিমোনো নেপথ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া 
ফাইল ছবি

আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই আমরা অবিরাম গতিতে ছুটে চলছি। পাশাপাশি আধুনিক যুগে ছোট-বড় সবাই ডিজিটাল টেকনোলজিতে এতটাই বেশী আসক্ত যে সবকিছু ভুলে শুধু ভার্চুয়াল জগৎ নিয়েই সারাক্ষণ পড়ে থাকি। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবন কঠিনতম হয়ে উঠেছে। বদলে যাচ্ছে কাজের সময়। কর্মব্যস্ত জীবনে প্রায়ই রাত জাগতে হয়। কাউকে আবার নাইট ডিউটি করতে হয় প্রায়ই। কখনো বা পরিস্থিতির কারণে রাত জাগতে বাধ্য হন অনেকেই। শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। সমাজমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে রাতে ঘুমের সময় কমে আসছে। দিনের পর দিন এমন অভ্যাস চলতে থাকায় ঘুমের স্বাভাবিক চক্রটি আমূল বদলে যাচ্ছে।

জরুরি কাজের মাঝে একবার করে সমাজমাধ্যমে চোখ বুলিয়ে নেওয়া কারো কাছে আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এই নেশা। যা ঘুমের স্বাভাবিক চক্রটিকেই রীতিমতো বদলে দিয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে তেমনটাই জানা গিয়েছে।

‘জার্নাল অফ অ্যাডলসেন্ট হেলথ’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ঘুমের মান এবং তার স্বাভাবিক চক্রের সঙ্গে স্ক্রিনটাইমের যোগ রয়েছে। শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। সমাজমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে রাতে ঘুমের সময় কমে আসছে। দিনের পর দিন এমন অভ্যাস চলতে থাকায় ঘুমের স্বাভাবিক চক্রটি আমূল বদলে যাচ্ছে।

Advertisement

গবেষণা প্রধান এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশুরোগ চিকিৎসক জ্যাসন নাগাটা বলছেন, “আমরা গবেষণা করে দেখেছি, সারারাত ফোন চালু রাখা, সাইলেন্ট মোডে থাকা সত্ত্বেও সারারাত বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ নোটিফিকেশন আসাতে রাতেও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম হয় না। সারাক্ষণ মস্তিষ্ক সজাগ থাকে।” যার ফলে দিনের বেলা কাজে মন বসছে না। ঝিমুনি ভাব থেকে যাচ্ছে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী কী করবেন?
১. বেডরুমে মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিন।
২. বাড়ি ফেরার পর নির্দিষ্ট একটা সময়ে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দিতে পারলে ভালো হয়।
৩. প্রয়োজনে বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা মারুন। কিন্তু রাত জেগে সমাজমাধ্যমে উঁকি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/টিএএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!