গত বছর টেসলার শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের ফলে ধনকুবেরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান হারিয়েছিলেন তিনি। ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানেই ছিলেন ইলন মাস্ক।
ব্লুমবার্গ সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ফ্রেবুয়ারি পর্যন্ত টেসলার সিইও-র মোট সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৭১০ কোটি ডলার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্নার্ডের সম্পত্তির পরিমাণ ১৮ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার।
.png)
২০২২ সালের অক্টোবরে টুইটার অধিগ্রহণের পর থেকেই ‘খারাপ সময়’ শুরু হয়েছিল মাস্কের। টেসলার শেয়ার দর কমেছিল। টুইটারে কর্মী ছাঁটাইয়ের পরও সংস্থাকে লাভজনক করতে ব্যর্থ হয়েছেন মাস্ক। এই সবের মাঝে ধনীতম ব্যক্তির তকমা হারিয়েছিলেন ইলন। তবে এবছর জানুয়ারি থেকে টেসলার শেয়ারের দাম বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ।
টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান ইলন মাস্কের বয়স বর্তমানে ৫১ বছর। তার নতুন সংস্থা নিউরোলিংক মানুষের মস্তিষ্ককে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য অতি উচ্চ ব্যান্ডউইথের ‘ব্রেন মেশিন ইন্টারফেস’ তৈরি করছে। এই সংস্থার মাধ্যমে কল্পজগতের কোনো গল্পকে যেন বাস্তবে পরিণত করতে চাইছেন মাস্ক।
এদিকে ধনকুবের গৌতম আদানি ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় ৩ থেকে সরাসরি ৩৮-এ পৌঁছে গিয়েছেন। মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ার কারচুপির অভিযোগ তোলার পর থেকেই তার এই অধঃপতন হয়েছে।