রোববার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ফলাফল অদূর ভবিষ্যতে আরো একবার ডিপিআরকে কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
দেশটির জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির এক মুখপাত্র বলেছেন, সোহায়ে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
.png)
তবে কোন ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি দেশটি। যদিও স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি থেকে এর আগে একাধিক রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে কোনো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রের পরীক্ষা অথবা আন্তঃমহাদেশীয় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হতে পারে।
অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, যে ধরনের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কথা পিয়ংইয়ং বলছে, তা অনেক আগেই বন্ধের কথা ছিল। উত্তর কোরিয়া তার প্রতিশ্রুতি রাখেনি, এই পরীক্ষার খবর সেটাই প্রমাণ করেছে।
শনিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি কিম সং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর দীর্ঘ আলোচনার দরকার নেই আমাদের। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি এরই মধ্যে আলোচনার টেবিলের বাইরে চলে গিয়েছে।’
চলতি বছরের মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে দর–কষাকষির আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগ করতে একের পর এক স্যাটেলাইট ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে দেশটি।