বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছরের আগস্ট মাসে জম্মু -কাশ্মীরে এই আধাসামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়। সেসময় ওই এলাকা নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যটির বিশেষ মর্যাদার সমাপ্তি ঘোষণা করে সেটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী বা সিএপিএফ মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
.png)
কেন্দ্রের দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সিএপিএফের সেনা প্রত্যাহার করে তাদের নিজ নিজ জায়গায় ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ১০০টি কোম্পানির মধ্যে ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এবং ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় শিল্প সুরক্ষা বাহিনী, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী এবং সশস্ত্র সীমা বলের সেনা রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়ার আগে ওই সেনারা যেসব জায়গায় মোতায়েন ছিলো পুনরায় তারা সেখানেই ফিরে যাবেন।
জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের পর সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া রোধে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে গত বছরের আগস্টে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ঘিরে রাখা হয় অঞ্চলটিকে। অন্যান্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সেখানে সব ধরণের বড় সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এছাড়া ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা প্রত্যাহার করা হয় এবং কয়েকশো স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকে আটক করা হয়।
গত কয়েক মাস ধরেই জম্মু-কাশ্মীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে ধীরে ধীরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি শিথিল করা হচ্ছে। সেখানকার পরিস্থিতির নিয়মিত মূল্যায়ন করে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।
সূত্র- এনডিটিভি