মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, গত শনিবার বিক্ষোভে প্রাণ হারান ১১৪ জন। পাইজিগি দাগুন জনপদে আগুন দিয়ে অন্তত ৬০টি বাড়িঘর ধ্বংস করে দিয়েছে জান্তা বাহিনী। স্থানীয়দের লক্ষ্য করে যখন গুলি চালানো হয় তখন আশপাশের বাসিন্দারা তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। তবে সেখানেও বাধা দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর রোববার নিহতদের শেষকৃত্যে গুলির ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদকারী এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং দেড় বছরের একটি শিশুকেও গুলি করা হয়েছে। ২ হাজার ৫৫৯ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রণ নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পর পরই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশটি। সেনাবাহিনীর চোখ রাঙানি এবং পুলিশের দমনপীড়ন উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন মিয়ানমারের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
.png)