দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চার পর্যটকের মৃত্যু শুধুমাত্র অ্যালার্জির কারণেই নাকি খাবারের গুণগত মানও দায়ী তা জানতে তদন্তে নেমেছে খাদ্য দফতরের কর্মকর্তারা।
বুধবার সকালে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দিঘার হোটেল এবং রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়েছেন খাদ্য দফতরের কর্মকর্তারা।
.png)
দিঘার প্রতিটি স্টলে গিয়ে তারা খাবারের মান পরীক্ষা করেন। ফ্রিজে রাখা সামগ্রীর গুণগত মানও পরীক্ষা করা হয়। খাদ্য দফতরের এমন ঝটিকা অভিযানে কিছুটা চমকে যান হোটেল এবং রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীরা।
আরো পড়ুন: সৈকতে ঘুরতে গিয়ে কাঁকড়া খেয়ে প্রাণ গেল তরুণীর
ঐ অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা মণিকা সরকার বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ভিড় জমান দিঘায়। তাদের সুরক্ষার দিকটি খতিয়ে দেখতেই খাদ্য দফতর অভিযান শুরু করেছে।
আরো পড়ুন: রাতে ছিল সাড়ে ৬শ কেজি, দিনে হয়ে গেল ৩০ কেজি!
গত ২১ নভেম্বরে ভারতের দিঘায় বেড়াতে এসে সামুদ্রিক কাঁকড়া খেয়ে মৃত্যু হয়েছিল বেহালার বাসিন্দা সৌম্যদীপ শিকদারের। এর এক মাসের ব্যবধানে গত ২৪ ডিসেম্বর একই ভাবে সামুদ্রিক কাঁকড়া খেয়ে মৃত্যু হয় বীরভূমের রামপুরহাটের বাসিন্দা ঋত্বিকা ভকতের। দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপার সন্দীপ বাগ পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়েছেন, গত এক বছরে কাঁকড়া খেয়ে চার পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।