শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আফ্রিকান গ্রোথ অ্যান্ড অপরচুনিটি অ্যাক্ট’ এর অধীনে বাণিজ্য সুবিধার শর্ত লঙ্ঘনের কারণে ওই তিন দেশের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গিনি আর মালিতে অসাংবিধানিকভাবে সরকার পরিবর্তন এবং ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে সংঘাতের মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকিৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
.png)
আরো পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে আগুন
তবে ওয়াশিংটনে ওই তিন দেশের দূতাবাস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
আফ্রিকান গ্রোথ অ্যান্ড অপরচুনিটি অ্যাক্ট-এজিওএ'র আওতায় যুক্তরাষ্ট্র সাব সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর রপ্তানি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রপ্তানিতে বাণিজ্য সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি, রাজনৈতিক পরিবেশ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। ২০২০ সালে ৩৮টি দেশ এজিওএর শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হয়।
২০০০ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময় এই শুল্কমুক্ত বাণিজ্য আইন পাস হয়। পরে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট উভয় সরকারের সময়ই এটির সম্প্রসারণ ঘটে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মতে, এটি হলো আফ্রিকার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভিত্তি।