রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম আরআইএ ও তাসের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টুইটার তাদের দেশে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাশিয়ার এমন পদক্ষেপ লাখ লাখ মানুষকে নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং তাদের মতামত শেয়ার করার একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।
.png)
আরো পড়ুন: ইউক্রেনে ৩ রুশ সেনা অধিনায়ক নিহত
অবশ্য দেশটিতে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ এখনো চালু রয়েছে।
অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে বিবিসির রুশ সংস্করণের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেটের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ডয়েচে ভেলে, রেডিও ফ্রি ইউরোপ-রেডিও লিবার্টি ও মেডুজা এবং এনজিও গ্লোবালচেক’র ওয়েবসাইটও দেশটিতে ব্লক করা হয়েছে।
রাশিয়ার এই পদক্ষেপতে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছে হোয়াইট হাউজ।
উল্লেখ্য, হামলার দশম দিনেও ইউক্রেনের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্বে প্রচণ্ড লড়াই চলছে। কিয়েভে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের চারপাশে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্দর নগরী মারিওপুলের চারপাশে শেল হামলা চলেছে। উত্তর পূর্বের শহর খারকিভ ও চেরনিহিভে বোমা হামলা চলছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপোরিঝঝিয়াতে রাশিয়ার হামলার কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বিশ্ব পারমাণবিক বিপর্যয় এড়াতে পেরেছে।