ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর থেকে দলে দলে মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালাচ্ছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অল্প সময়ের ব্যবধানে এত শরণার্থীর ঢল এর আগে দেখেনি ইউরোপ।
এর আগে গ্রান্ডি বলেছিলেন, রুশ হামলা শুরুর পর প্রথম দফায় যারা ইউক্রেন ছেড়েছিল, তাদের সঙ্গে ‘কিছু সম্পদ ছিল’। অনেকে গাড়ি নিয়ে ইউক্রেন ছেড়েছে এবং তাদের অনেকে সঙ্গে ইউরোপে অন্য দেশগুলোয় অবস্থানরত অনেকের যোগাযোগ ছিল। ফলে তারা তাদের পরিবার, বন্ধু, তাদের পরিচিতজনদের কাছে যেতে পেরেছে। তবে তিনি সতর্ক করে এও বলেছেন, কিন্তু এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলে, তবে যাদের সম্পদের পরিমাণ কম এবং যোগাযোগ রয়েছে অল্পবিস্তর, তারাও বাধ্য হবে ইউক্রেন ছাড়তে।
.png)
আরো পড়ুন>> ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভাষণ দিলেন জেলেনস্কি
বার্তা সংস্থা এএফপিকে গ্রান্ডি বলেন, শরণার্থীর এই ঢল মোকাবিলায় ইউরোপীয়দের পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউক্রেনীয়দের সঙ্গে সব ইউরোপীয়কে আরও বেশি একাত্মতা প্রকাশ করতে হবে মন্তব্য করেছেন তিনি।
এই পরিস্থিতির সঙ্গে বসনিয়া ও কসোভো যুদ্ধের তুলনা করেছেন গ্রান্ডি। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় এই দুই দেশ ও অঞ্চলের মানুষ গণহারে ওই সব এলাকা ছেড়েছিল। ২০ থেকে ৩০ লাখ মানুষ ওই এলাকা ছেড়েছিল। কিন্তু এসব মানুষ প্রায় ৮ বছরে ওই এলাকা ছেড়েছিল।