বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমিক্রন ও ডেল্টা রূপে সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যুহার অপেক্ষাকৃত কম। তবে সাংহাইয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। সাংহাই প্রশাসন জানাচ্ছে, ১০ দিনের নবজাতক থেকে ১০০ বছর বয়সী বৃদ্ধ পর্যন্ত ওমিক্রন থেকে কেউই রক্ষা পাচ্ছেন না।
আরো পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৪৪৩
.png)
গত মার্চে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশে দু’জনের করোনায় মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যে কড়া লকডাউনের পথে হাঁটে চীনা প্রশাসন। এরপর এই প্রথম এক সঙ্গে তিন জনের মৃত্যুর খবর দিল প্রশাসন। মৃতদের বয়স ৮৯ থেকে ৯১ বছরের মধ্যে বলে জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কড়া লকডাউন জারি রাখছে সাংহাই প্রশাসন। অন্যদিকে, বেশ কিছু আবাসনকে ‘সেফ হোম’ করা নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে। সাংহাই শহরের আড়াই কোটি বাসিন্দার পর্যায়ক্রমে করোনা পরীক্ষা করছে প্রশাসন। তবু সংক্রমণে লাগাম টানা যাচ্ছে না।