যে স্কুলে জেলেনস্কা ও জিল দেখা করেছেন, সেটিকে বর্তমানে বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই দুই ফার্স্ট লেডি স্কুলে বসবাসরত কিছু শিশুর সঙ্গে খেলা করেছেন। টিস্যু পেপার দিয়ে ভালুক বানান তারা। এই ভালুক স্থানীয় ঐতিহ্যের প্রতীক।
ওলেনা জেলেনস্কার সঙ্গে দেখা করে জিল বলেন, “আমি মা দিবসে ইউক্রেনে আসতে চেয়েছিলাম। আমরা ভেবেছি এই যুদ্ধ বন্ধ হওয়া দরকার সেটি ইউক্রেনের জনগণকে দেখানোটা গুরুত্বপূর্ণ।”
.png)
“এই যুদ্ধ নৃশংস। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ইউক্রেনের জনগণের পাশে আছে।” স্কুলের ওই উদ্বাস্ত শিবিরে ৪৮ জন শিশুসহ আশ্রয় নিয়ে আছে ইউক্রেনীয়রা।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি ওলেনা রাশিয়ার আগ্রাসনের শুরুর দিকে জিল বাইডেনকে চিঠি দিয়েছেন এবং সম্প্রতি কয়েকসপ্তাহে তার সঙ্গে চিঠি চালাচালি করেছেন।
আরো পড়ুন>> ২৬ বারের মতো এভারেস্টচূড়ায় আরোহন করে রেকর্ড গড়লেন নেপালি শেরপা
এবার জিল বাইডেনের সাক্ষাৎ পাওয়ার পর ওলেনা বলেন, “প্রথমত এই যুদ্ধের মধ্যে যখন প্রতিদিনই সামরিক তৎপরতা চলছে, বোমা পড়ছে, সাইরেন বাজছে, এমন একটি সময়ে সাহস নিয়ে ইউক্রেনে আসার জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”
আমরা আপনার সমর্থন উপলব্ধি করতে পারি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নেতৃত্বকে অনুধাবন করতে পারি। তবে আমরা এটিটও বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই যে, মাদার্স ডে (মা দিবস) আমাদের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী দিবস। কারণ, এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে আমরা আপনাদের ভালোবাসা এবং সমর্থনকেও অনুভব করতে পারছি।”
সফরকালে স্কুলের ওই উদ্বাস্তু শিবিরেই দুই ফার্স্টলেডির মধ্যে এক ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন