সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, প্রায় আড়াই মাস ধরে চলমান যুদ্ধে এই প্রথম রুশ গ্যাসের প্রবাহ থামালো ইউক্রেন।
জার্মানিসহ ইউরোপের অনেক দেশের জ্বালানির অন্যতম উৎস রাশিয়ার গ্যাস। গত ফেব্রুয়ারিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের আক্রমণের পরও অব্যাহত ছিল ইউরোপে রুশ গ্যাসের প্রবাহ।
.png)
মঙ্গলবার রাতে ইউক্রেনের গ্যাস সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দখলদার বাহিনীর হস্তক্ষেপের’ কারণে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোখরানিভকা ট্রানজিট পয়েন্ট থেকে দৈনিক ৩২.৬ মিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাস বিতরণ করা হয়। যা ইউক্রেনের ভেতর দিয়ে ইউরোপে প্রবাহিত হওয়া রুশ গ্যাসের এক-তৃতীয়াংশ বলে জানায় নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানটি।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া গ্যাস সরানোসহ রুশ হস্তক্ষেপের কারণে গ্যাস পরিবহন ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।
ইউক্রেন জানিয়েছে, ওই পয়েন্ট দিয়ে প্রবাহিত গ্যাস সুদজা ট্রানজিট পয়েন্টে সরিয়ে নেয়া হতে পারে। ২০২০ সালে মেরামত কাজ চালানোর সময়েও একই পদক্ষেপ নেয়া হয়।
আরো পড়ুন>> ট্রাম্পকে টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেবেন মাস্ক
তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ধরনের পুনর্বিন্যাস ‘প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব’ হবে। ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কোনও কারণ দেখছে না তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত গ্যাজপ্রমের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সোখরানিভকার মাধ্যমে ট্রানজিট পূর্ণভাবে চলছিল, অপর পক্ষগুলো থেকে কোনও অভিযোগ ছিল না এবং এখনও কোন অভিযোগ নেই।’
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পাঠানো আলাদা এক বিবৃতিতে গ্যাজপ্রম জানিয়েছে, বুধবার ইউক্রেনের ভেতর দিয়ে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস রফতানি আগের দিনের চেয়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে। মঙ্গলবার ৯৬ মিলিয়ন ঘন মিটার গ্যাস রফতানি হলেও বুধবার তা ৭২ মিলিয়ন ঘন মিটারে নেমেছে।