বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মীদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
এদিকে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, মঙ্গলবার ও বুধবার প্রদেশের দুটি গ্রামের সংঘর্ষে সরকারি অনুগত একটি গোষ্ঠীর ১০ জন ও সাতজন স্থানীয় বাসিন্দা মারা গেছেন। যদিও একদিন আগে এই সংখ্যা ছিল ১০।
.png)
সিরীয় এই মানবাধিকার সংস্থা বলেছে, সংঘর্ষে বেসামরিক নাগরিকসহ ৪০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
গত ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল সংঘর্ষ-সংঘাতে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রদেশটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটায় সম্প্রতি এই প্রদেশেও বিক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়েছে।
আরো পড়ুন>> ভারতে বিষাক্ত মদপানে ৪২ জনের মৃত্যু
ওই প্রদেশের স্থানীয় সশস্ত্র একটি গোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে অপহরণ ঘিরে সোমবার থেকে উত্তেজনা বেড়ে যায়। স্থানীয় গণমাধ্যম সুওয়াইদা টোয়েন্টিফোরের প্রধান ও সমাজকর্মী রায়ান মারুফ বলেন, সরকার-সমর্থিত যোদ্ধাদের নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে আটক, যত্রতত্র রাস্তা অবরোধ এবং মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের মতো ঘটনা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ক্রমবর্ধমান হতাশা তৈরি হয়েছে।
রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এই ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটি আক্রান্ত হয়েছে। এসব ঘাঁটিতে ভারী অস্ত্র রয়েছে। সুইদার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, সংঘর্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।