বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের এই মডেল প্রত্যাখ্যান করেছে। তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জুয়ান ওউ বৃহস্পতিবার তাইপেতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তাইওয়ান কোন পথে যাবে তা কেবল তাইওয়ানের জনগণই নির্ধারণ করবে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘চীন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের স্পিকারের তাইপে সফরকে স্রেফ একটি বাহানা হিসেবে ব্যবহার করছে তাদের দাবিকৃত নিউ নরমাল প্রতিষ্ঠা করার জন্য।’
.png)
এর আগে তাইওয়ানের প্রধান প্রধান সব রাজনৈতিক দলই চীনের ওই ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ প্রস্তাব’ নাকচ করেছে। সব জনমত জরিপেও দেখা গেছে, তাইওয়ানের বাসিন্দাদেরও প্রস্তাবটি পছন্দ নয়।
তাইওয়ানের ‘মেইনল্যান্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল’ও নতুন শ্বেতপত্রের নিন্দা করে বলেছে, ‘এটি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যায় ভরা চিন্তাভাবনা ও বাস্তবকে উপেক্ষা করা’ এবং এটিই চীন।