দেশটির একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফায়ার সার্ভিসের ১০ হাজার কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। অভিযানে যোগ দিয়েছে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী।
.png)
এদিকে ফ্রান্সের বোর্দে শহরে দাবানলের আগুনে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১০ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
গোটা ইউরোপজুড়েই ভয়াবহ তাপপ্রবাহ চলছে। পর্তুগাল ও স্পেনে তাপপ্রবাহের কারণে ১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে যুক্তরাজ্যে আগামী রোববার পর্যন্ত চার দিনের জন্য অগ্রিম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ সময় কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দাবানল সৃষ্টি হতে পারে। স্বাস্থ্য, পরিবহন ও কর্মক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
টুইটারে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, ফ্রান্সের সহায়তায় অস্ট্রিয়া, জার্মানি, গ্রিস, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া এগিয়ে আসছে।
আরো পড়ুন>> প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন মোদি-শেহবাজ
আবহাওয়ার এমন বিরূপ পরিস্থিতির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে দায়ী করেছেন আবহাওয়াবিদেরা।
উল্লেখ্য, ১৯ শতকের শিল্পবিপ্লবের পর ভারী কলকারখানা হু হু করে বেড়েছে। এর পর থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা ইতিমধ্যে ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। চলতি শতাব্দীতে তা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে ধরে রাখা না গেলে পৃথিবীর অনেক নিচু দেশ বা অঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অংশে সম্প্রতি তাপপ্রবাহ, দাবদাহ, বন্যা, অতিবৃষ্টি, খরার মতো যেসব দুর্যোগ চলছে, তার জন্য অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ মোটাদাগে দায়ী।
সূত্র: বিবিসি