সন্তান চাননি স্বামী, কথা না শোনায় গর্ভবতী স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা!
অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় গর্ভপাতের জন্য স্বামীর পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। কিন্তু তার এমন আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ওই নারীকে মারধর করে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় স্বামী। অত:পর, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাত্মক দগ্ধ ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের লেবাননে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় মিডিয়ার বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২১ বছর বয়সী ওই নারীর নাম হানা মোহাম্মাদ খাদুর। স্বামীর দেওয়া আগুনে দীর্ঘ ১১ দিন মৃত্যুর যন্ত্রণায় ছটফট করে বুধবার লেবাননের রাজধানী ত্রিপলির আল সালাহ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
.png)
হাসপাতালের ডাক্তার জানায়, মায়ের শরীর পুড়ে গেলেও অক্ষত ছিল শিশুটি। কিন্তু অপারেশন করে শিশুটিকে বের করে আনার আগেই তারও মৃত্যু হয়।
আরো পড়ুন>> দ. কোরিয়ার আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান উত্তর কোরিয়ার
স্থানীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, লেবাননে যে অর্থনৈতিক সংকট চলছে তাতে সন্তান পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হলে তাকে ভালোভাবে লালন পালন করা সম্ভব হবে না। এমন আশঙ্কা থেকে স্ত্রীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন স্বামী। কিন্তু স্ত্রী স্বামীর এ আশঙ্কাকে মানতে রাজি ছিলেন না। ফলে স্ত্রীর গায়ে আগুন দিয়ে তাকে শেষ করে দেন স্বামী।
ওই নারীর এক চাচাতো ভাই গণমাধ্যমকে জানান, গর্ভপাতের জন্য স্বামী চাপ দিলে তাতে রাজি হননি হানা। এরপরই তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এ ঘটনার পরই দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে স্বামী। কিন্তু পুলিশ তাকে পালিয়ে যাওয়ার আগেই গ্রেফতার করে।