কারাগার থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাদি মাতার বলেন, হামলার পর যখন জানতে পারলাম তিনি (সালমান রুশদি) বেঁচে আছেন তখন হতবাক হয়েছি। রুশদি সম্পর্কে বলেন, তাকে আমি খুব বেশি পছন্দ করি না। তিনি ইসলামের ওপর আঘাত করেছেন। তিনি মুসলিমদের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।
গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্কের এক সভায় বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল রুশদির। সেখানে তিনি মঞ্চে ওঠার পরেই আক্রমণকারী দৌড়ে গিয়ে তাকে একাধিকবার ছুড়ি দিয়ে আঘাত করে। আহত রুশদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। এখন অবশ্য তিনি কিছুটা সুস্থ। শুক্রবার রুশদির সমর্থনে নিউ ইয়র্কের লাইব্রেরির সিঁড়িতে বসে তার লেখা পাঠ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক লেখক।
.png)
আরো পড়ুন>> ব্যাংক থেকে উধাও ১১ কোটি রুপির কয়েন!
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত রুশদির চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়।
বইটি প্রকাশের পর হত্যার হুমকি আসে, যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসে।
১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি রুশদির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেন।
সূত্র: রয়টার্স