ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়তেই একে একে বেরিয়ে এলো ২৬৪ স্বর্ণমুদ্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:৩৮, ২ সেপ্টেম্বর ২০২২
রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়তেই একে একে বেরিয়ে এলো ২৬৪ স্বর্ণমুদ্রা
প্রতীকী ছবি

একটি বাসভবনে সংস্কার কাজের জন্য চলছিল খোঁড়াখুঁড়ি। খোঁড়াখুঁড়ির একপর্যায়ে বাড়ির রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো ২৬৪টি স্বর্ণমুদ্রা। যুক্তরাজ্যের নর্থ ইয়র্কশায়ার জেলায় এ ঘটনা ঘটে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে নিজেদের বাসভবন সংস্কারের সময় এ ‘গুপ্তধন’ লাভ করেন ব্রিটিশ এক দম্পতি। রান্নাঘরের মেঝের কংক্রিটের মাত্র ৬ ইঞ্চি গভীরে একটি মুখবন্ধ ধাতব পাত্রে রাখা ছিল এসব স্বর্ণমুদ্রা। খোদাই করা তারিখ থেকে বোঝা যায়, ১৬১০ সাল থেকে ১৭২৭ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়েছিল এ মুদ্রাগুলো। ১৬১০ সালে যুক্তরাজ্যের রাজা ছিলেন জেমস ১; আর ১৭২৭ সালে দেশটির রাজা ছিলেন চার্লস ১।

ধারণা করা হচ্ছে, তৎকালীন যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হাল পরিবারের সম্পত্তি ছিল এসব মুদ্রা। যে বাড়িটির রান্নাঘরের মেঝেতে এসব মুদ্রা পাওয়া গেছে- সেটিও বেশ পুরনো। আঠার শতকে নির্মিত সেই বাড়িটিতে তারা থাকছেন ১০ বছর ধরে।

Advertisement

২০১৯ সালে এ ‘গুপ্তধন’ পেলেও এতদিন সংবাদ গোপন রেখেছিলেন ঐ দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে নিজেদের নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ দম্পতি সম্প্রতি এসব মুদ্রা নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন; আর এজন্য তারা বেছে নিয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক নিলাম প্রতিষ্ঠান স্পিংক অ্যান্ড সনকে। ঐ দম্পতির পক্ষ থেকে স্পিংক অ্যান্ড সন এ নিলাম পরিচালনা করবে।

স্পিংক অ্যান্ড সনের মুখাপাত্র গ্রেগরি অ্যাডমুন্ড এএফপিকে জানান, ৪০০ বছরেরও বেশি পুরনো এসব স্বর্ণমুদ্রার বর্তমান বাজারমূল্য মূল্য আড়াই লাখ পাউন্ড। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ ৫ হাজার টাকা।

এএফপিকে অ্যাডমুন্ড বলেন, আমার জন্য এটি খুবই দারুন একটা ব্যাপার। আমি আমার সারা জীবনে এত স্বর্ণমুদ্রা একসঙ্গে দেখিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!