শনিবার সকালে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের বেশিরভাগ কামানের হামলা আটকাতে সম্ভব হয়েছে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী। এছাড়া অনেক কামানকে ভূপাতিত করা হয়েছে।
.png)
তবে ইসরায়েলি হামলায় বিমানবন্দরে ফ্লাইট কার্যক্রম চলবে কিনা তা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কিছু জানা যায়নি।
আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, সিরিয়া ও লেবাননের হিজবুল্লাহকে বিমান পথে অস্ত্র সরবরাহ করে তেহরান। সেগুলো বাধাগ্রস্ত করতে সিলিয়ার বিমানবন্দরগুলোকে হামলা জোরদার করছে ইসরায়েল।
সিরিয়া ইরানি যোদ্ধা ও তাদের মিত্রের জন্য অস্ত্র সরবরাহের জন্য আকাশপথকে সবচেয়ে নিরাপদভাবে ব্যবহার করে আসছে তেহরান। এর আগে স্থলপথে অস্ত্র সরবরাহে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল ইরান।
২০১১ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। সেই থেকে হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধে মারা যান এবং ঘর হারা হন লাখ লাখ সিরিয়ান।