মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে শুনানির সময় এ কথা স্বীকার করেন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে লাফার্জের বিরুদ্ধে ইসলামিক স্টেটসহ জঙ্গি সংগঠনগুলোতে অর্থ ও সরঞ্জাম যোগানের অভিযোগ করে আসছিল। মঙ্গলবার আদালতে প্রথমবার তা স্বীকার করলো কোম্পানিটি।
.png)
২০১৫ সালে সুইস তালিকাভুক্ত হোলসিম হয় লাফার্জ। প্যারিসে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি রয়েছে কোম্পানি। কারণ, ২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে কোম্পাটিকে দেশটি ছাড়তে বলা হয়েছিল। তবুও সেটি স্থান ত্যাগ করেনি।
দোষ স্বীকার করে লাফার্জ ৬৮৭ মিলিয়ন ডলার খোয়াতে রাজি হয়েছে এবং তাদের অপরাধের জন্য ৯০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা দেবে।
একটি অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর কোম্পানিটি স্বীকার করে যে, তাদের সিরিয়ার অংশ নিজেদের স্টাফদের রক্ষায় সশস্ত্র গ্রুপগুলোকে অর্থ দিত। তবে মানবিকতাবিরোধী অপরাধের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে লাফার্জ।
লাফার্জের চেয়ারম্যান মাগালি এন্ডারসন আদালতে বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তারা ‘জেনে ও ইচ্ছাকৃতভাবে’ সিরিয়ার বিভিন্ন সশন্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে লাভবান করার লক্ষ্যে অর্থ প্রদানের ষড়যন্ত্র করেছেন।