পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজনৈতিকভাবে চাপে থাকা অঞ্চলটির জন্য এ ঘটনা বিরল। রাজধানী লাসায় প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায় শত শত মানুষকে।
বিক্ষোভের বহু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। শত শত মানুষ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ করতে দেখা যাচ্ছে সেসব ভিডিওতে।
.png)
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই জাতিগতভাবে হান চীনা অভিবাসী শ্রমিক। করোনা সংক্রমণের নতুন ঢেউয়ের মুখে প্রায় তিন মাস ধরে লকডাউনে রয়েছে তিব্বতের অধিবাসীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার বিকেলে প্রতিবাদ শুরু হয় এবং তা রাত পর্যন্ত গড়ায়।
এক ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় জমায়েত হওয়া মানুষকে এক পাশে আটকে রেখেছে পুলিশ। পাশাপাশি লাউডস্পিকারে বিক্ষুব্ধ জনসাধারণকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এক কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, জনসাধারণ যেন বিষয়টি উপলব্ধি করে এবং পিছু হটে।
আরো পড়ুন>> নিজেদের মল-মূত্র থেকে তৈরি গ্যাস দিয়ে হয় রান্না, মরুভূমিতে বসবাস দম্পতির
আরেক ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে মন্তব্য করতে শোনা যায়, ‘দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছি। আর এই কমিউনিটির বেশির ভাগ মানুষ শুধু কাজ করে অর্থ আয় করতে এসেছে। চীনের মূল ভূখণ্ডে সে সুবিধা পেলে তারা আর এখানে আসতো না।’
‘আমরা শুধু বাড়ি ফিরতে চাই’ ক্যাপশন লেখা আরেক ভিডিওতে বহু মানুষকে রাস্তায় মিছিলরত অবস্থায় দেখা গেছে। স্বাধীনভাবে কোনো ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বিবিসি। তবে সেগুলো চীনের স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। পরে সেগুলো মার্কিন সাইট টুইটারে ছড়িয়ে পড়ে।
রেডিও ফ্রি এশিয়াকে (আরএফএ) তিব্বতের একাধিক সূত্র জানায়, বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়া না হলে ‘আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে’ বলে সতর্ক করেছেন বিক্ষোভকারীরা।