চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কাগজপত্র জাতিসংঘের কাছে উপস্থাপন করা হয়।
চুক্তি সইয়ের পর লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেন, এ চুক্তি লেবানন সরকার, জনগণ ও প্রতিরোধকারী শক্তির জন্য বিজয়। একইসঙ্গে হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের তিনি উচ্চ সতর্কতায় থাকার আহ্বান জানান।
.png)
চুক্তি সইয়ের পর লেবাননের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ।
বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এ চুক্তির ফলে লেবানন এখন তেল রফতানিকারক দেশে পরিণত হবে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন বলেন, সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত চুক্তি রাজনৈতিক বিষয়। এর সঙ্গে ইরায়েলের কূটনৈতিক কোনো সম্পর্ক নেই।
ইসরায়েল ও লেবানন দুই পক্ষ চুক্তিতে সই করায় প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট মার্কিন জো বাইডেন। তিনি বলেন, এ চুক্তি লেবাননের নিজস্ব প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের পথ সুগম করবে। চুক্তিটি এমন সময় হলো যখন পশ্চিমাদেশগুলো রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প গ্যাস রফতানিকারক দেশ খুঁজছে।