শনিবার (৫ নভেম্বর) আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার ধলাই জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে। অভিযুক্ত ওই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন সকালে কিশোরের বাবা কাজে চলে যান। তখন বাড়িতে ছিলেন তার মা, দাদা এবং বোন।
.png)
প্রতিবেশীদের দাবি, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ কিশোরের বাড়িতে জোরে গান বাজছিল। কোনো চিৎকার বা চেঁচামেচি শোনেননি তারা।
সন্ধ্যাবেলায় কিশোরের বাবা বাড়ি ফিরতেই দেখেন রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘর। ডাকাডাকি করে কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে কুয়ার মধ্যে চারজনের দেহ দেখতে পান তিনি। চিৎকার করে পড়শিদের ডাকেন। তারাই পুলিশে খবর দেন। এর পরই কুয়া থেকে চারজনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আরো পড়ুন>> তানজানিয়ায় ৪৩ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত, বহু হতাহতের শঙ্কা
কিশোরের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন তার বাবা। প্রতিবেশীদের দাবি, কিশোর নিয়মিত নেশা করত। এ নিয়ে প্রায়ই পরিবারে অশান্তি হতো। তার জেরেই কি হত্যা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তবে পড়শিকে কেন হত্যা করল তা নিয়ে রহস্য বাড়ছে। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি কোনো আওয়াজ পেয়ে কিশোরের বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই পড়শি? সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আঘাতের চিহ্ন দেখে বোঝা যাচ্ছে চারজনকেই ভোঁতা কোনো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার