সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দোষীদের খুঁজে বের করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঐ পর্নো ভিডিও দেখতে শুরু করেন গোয়েন্দারা। পর্নো ভিডিওতে দম্পতির মুখে মুখোশ লাগানো ছিল। তাই ভিডিও কোথায় শুট হচ্ছিল তার দিকে নজর দেন তারা। ঘরের ভেতরে কী কী আসবাবপত্র রয়েছে তা খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন তদন্তকারীরা।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সেই দম্পতির পর্নো ভিডিও অনেকবার দেখে অবশেষে একটি হোটেলের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। ভিডিওয়ের ঘরের সঙ্গে হোটেলের ঘরের ছবি মিলিয়েই গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন এ হোটেলেই ঐ দম্পতির পর্নো ভিডিও বানানোর রমরমা ব্যবসা চলছিল। এরপরই তদন্ত করে ঐ দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
জাকার্তা পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, অনেক দিন ধরে অভিযুক্ত দম্পতির খোঁজ করছিল পুলিশ। তারা বেশ কিছুদিন ধরে পর্নো ভিডিও শুট করছিলেন। আর পর্নো ভিডিও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করা হলে মুহূর্তেই তার ভাইরাল হতো।
ইন্দোনেশিয়ায় পর্নো ভিডিও তৈরিতে বিভিন্ন রকমের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া, মিয়ায়ানমার, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকদের অনলাইনে পোস্ট করা ভিডিওর বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।