মঙ্গলবার রাতে চেন্নাইয়ের কাছে আয়নাভরমের ঠাকুরনগরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এস করুণাকরণ নামে ঐ বৃদ্ধ স্ত্রী পদ্মাবতীর শরীরে আগুন লাগিয়ে দেন। শরীরে আগুন লাগার প্রতিশোধ নিতে আগুনসহ দৌড়ে এসে স্বামীকে জড়িয়ে ধরেন স্ত্রী। সেই আগুনে পুড়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।
.png)
পুলিশ জানায়, রেলের যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলেন মৃত করুণাকরণ। স্বামীর সঙ্গে ঘরোয়া বিবাদের কারণে স্ত্রী পদ্মাবতী অনেক দিন ধরে চার সন্তানদের সঙ্গে আলাদা থাকতেন। পদ্মাবতী ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বেশির ভাগ সময়ই চার ছেলের কাছে থাকতেন। খুবই কম স্বামীর বাড়িতে আসতেন।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মঙ্গলবার করুণাকরণ ও তার স্ত্রী পদ্মাবতী বাড়িতে একসঙ্গে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে করুণাকরণ হোটেল থেকে শুধুমাত্র নিজের জন্য রাতের খাবার কিনে আনেন। আর তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
ঐ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাত ১০টায় বৃদ্ধ দম্পতির মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কিছুক্ষণ পরে ঝগড়া চরমে পৌঁছালে একে অপরকে মারধর করতে শুরু করেন তারা। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে করুণাকরণ স্ত্রীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পদ্মাবতীও সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে এসে তার স্বামীকে জড়িয়ে ধরলে করুণাকরণের গায়েও আগুন ধরে যায়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দম্পতিকে স্থানীয় হাসপাতালে নেন। দুইজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঐ দম্পতির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।